খুলনায় আদালত চত্বরে দিনদুপুরে ঘটে গেলো ভয়াবহ গুলি ও চাপাতির হামলা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জর্জ কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অস্ত্র মামলার হাজিরা দিতে এসে ফেরার সময় হামলার শিকার হন দুই যুবক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজিরা শেষে কোর্ট থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে হাসিব হাওলাদার (২৯) ও ফজলে রাব্বি রাজন (২৮) গেটের সামনে পৌঁছালে কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসিব। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
নিহত হাসিব খুলনার নতুনবাজার এলাকার মান্নান হাওলাদারের ছেলে এবং রাজন রূপসার বাগমারার দক্ষিণ ডাঙ্গা এলাকার ইজাজ শেখের ছেলে। দু’জনই আলোচিত সন্ত্রাসী শেখ পলাশের অনুসারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের মতো অতি সংবেদনশীল এলাকায় এমন সন্ত্রাসী তৎপরতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অপরাধীরা কীভাবে অস্ত্র নিয়ে আদালত এলাকায় প্রবেশ করলো—সে বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
ঘটনার পরপরই পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আদালত এলাকা ঘেরাও করে ফেলে। সিআইডি ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে।
পুলিশ জানায়, নিহত দু’জনকেই গত ৩১ মার্চ যৌথ বাহিনী অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তারা জামিনে বের হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
খুলনায় বর্তমানে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গ্রেনেড বাবু বা ‘বি কোম্পানি’ চক্রের সদস্যরা হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে জানায় পুলিশ।
নিহত হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার ঘটনাস্থলে এসে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। পুলিশ আরও জানায়, রাজনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে এবং হাসিবও একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। দু’জনই পলাশ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জর্জ কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অস্ত্র মামলার হাজিরা দিতে এসে ফেরার সময় হামলার শিকার হন দুই যুবক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজিরা শেষে কোর্ট থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে হাসিব হাওলাদার (২৯) ও ফজলে রাব্বি রাজন (২৮) গেটের সামনে পৌঁছালে কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসিব। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
নিহত হাসিব খুলনার নতুনবাজার এলাকার মান্নান হাওলাদারের ছেলে এবং রাজন রূপসার বাগমারার দক্ষিণ ডাঙ্গা এলাকার ইজাজ শেখের ছেলে। দু’জনই আলোচিত সন্ত্রাসী শেখ পলাশের অনুসারী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের মতো অতি সংবেদনশীল এলাকায় এমন সন্ত্রাসী তৎপরতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অপরাধীরা কীভাবে অস্ত্র নিয়ে আদালত এলাকায় প্রবেশ করলো—সে বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
ঘটনার পরপরই পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আদালত এলাকা ঘেরাও করে ফেলে। সিআইডি ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে।
পুলিশ জানায়, নিহত দু’জনকেই গত ৩১ মার্চ যৌথ বাহিনী অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তারা জামিনে বের হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
খুলনায় বর্তমানে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গ্রেনেড বাবু বা ‘বি কোম্পানি’ চক্রের সদস্যরা হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে জানায় পুলিশ।
নিহত হাসিবের ভাই শাকিল হাওলাদার ঘটনাস্থলে এসে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। পুলিশ আরও জানায়, রাজনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে এবং হাসিবও একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। দু’জনই পলাশ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
প্রতিনিধি :